
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: ঢাকা শহরে গত এক মাসে কিউলেক্স মশার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দুই সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় মশা মারার ওষুধের গুণগত মান ও কার্যকারিতা সরেজমিনে যাচাই করতে আজ মাঠে নামছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
পরিদর্শন সূচি: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সায়েদাবাদস্থ স্টোরেজ পরিদর্শন করবেন। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মিরপুর-২ এলাকায় অবস্থিত কীটনাশক স্টোর পরিদর্শন করবেন। তাঁদের সঙ্গে নিপসম (NIPSOM)-এর একদল বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ থাকবেন, যারা ল্যাব পরীক্ষার জন্য ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করবেন।
পটভূমি ও কারণ: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার মশা ৪০ শতাংশ বেড়েছে, যার ৯০ শতাংশই কিউলেক্স। নগরবাসী অভিযোগ করছেন, সিটি করপোরেশনের ওষুধ ছিটানোর পরও মশা মরছে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভায় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মশা হয়তো বর্তমান কীটনাশকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা (Resistance) তৈরি করে ফেলেছে। ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: ডিএসসিসি-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যে ওষুধের নমুনা ল্যাবে পাঠিয়েছেন এবং পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা করছেন। এর পাশাপাশি মশক নিধন কর্মীদের তদারকি করতে ওয়ার্ড পর্যায়ে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।